
নারী মানে দূরের আকাশ, বিকেলের হালকা রং নীল,
তার চোখে থাকে সন্ধ্যার প্রথম শিহরন- গালের তিল।
নদী তার শ্বাসে বয়ে যায়, ধীরে, ধীরে গোপন টানে,
ভাঙে দূরত্ব, গড়ে বসতি শেখায় ভালোবাসার মানে।
চাঁদ তার কপালে এসে লাজুক আলো রাখে,
রাত তখনই শেখে কীভাবে সুখ স্বপ্ন আঁকে।
তার চুলে জড়িয়ে থাকে মেঘের সুবাস,
স্পর্শে ভেঙে পড়ে দিনের সমস্ত ক্লান্তি-বাস।
নারীর ঠোঁট—দুটি গোলাপ, শিশিরে ভেজা ভোর,
তারা একটু হাসলে বদলে যায় পৃথিবীর রং-চোর।
কথা না বলেও বলে, বলে “থাকো”—অসংখ্যবার,
সে নীরবতার ভেতরেই রাখে ভালোবাসার ভর ও ভার।
আকাশ নারীর কাছে এসে তার সীমা ভুলে যায়,
নদী শেখে—ভালোবাসা স্রোত হয়ে বয়ে যেতে চায়।
চাঁদ তার চোখে দেখে নিজের পূর্ণতা,
নারী—নারী যে প্রেমেরই নাম,
প্রেমের ভাষার সৃষ্টি হয় নারীর রুপের আগুনে।
নারী—
একটি আকাশ,
যেখানে সীমা নেই,
কেবল বিস্তার।
নদী তার ভেতরে বয়ে চলে—
প্রশ্নের মতো,
উত্তরের খোঁজে,
থামে না,থামবেও না।
চাঁদ নারীর কপালে
গালে, ঠোঁটে তার জোসনা বিলিয়ে
নিজের দ্যূতি অযুত গুন বৃদ্ধি করে যেন।
নারীর শরীর স্পর্শ করে
আলো কখনো আলেয়াতে রুপ নেয়।
নারীর ঠোঁট
শব্দের আগে জন্ম নেয়,
ভাষার আগে—
অর্থ হয়ে প্রকাশিত হওয়া তার ধর্ম।
নারীর একটি হাসি
ইতিহাস বদলায়,
তার নীরবতা
প্রেম শেখায়,
তার অশ্রু ভালোবাসার বান ডাকে কখনো কখনো
আকাশ, নদী, চাঁদ—
সবই তার রূপক,
আর নারী? সে নিজে
রূপকেরও অতীত!
যে অতীতে সব পুরুষ বর্তমান দেখে।
