রাত
রাত অদৃশ্য উপনিষদের ভাঁজে রাখা এক সাদা মন্ত্র,
নক্ষত্ররাও আজ নিঃশব্দ ঋষি—অন্ধকারে জপছে কারো নাম।
মানুষ কেন মানুষ নাম ধারনের পরও নাম উপননাম নেয়?
বলো না রাত!
চাঁদ ভেসে যায় ভাঙা আয়নার মতো সময়ের এক নদীর টানে
স্বপ্নেরা মাছ হয়ে ঘুরে বেড়ায় নিঃশ্বাসের জলতরঙ্গে
অনেক শব্দ বাক্য অনুচ্ছেদ মরে যায় গ্রন্থে ছাপা হয় না ভুলে।
রাত
আজ তুমি
আমার হারিয়ে যাওয়া কবিতার পান্ডুলিপিগুলো খুঁজে দেবে?
আমার ছায়া
হঠাৎ আমার থেকে
আলাদা হয়ে লিখতে থাকে রাত্রীর গোপন ইতিহাস খন্ড।
ঘুমের ভিতর খুলে যায় দ্বার আরেক জন্মের দিকে ছুটে
ছুটে যেতে চায় হৃদয়,
নক্ষত্রের চোখে জেগে ওঠে প্রাচীন বিস্মৃত স্মৃতি লজ্জা ভয়
অপেক্ষা কঠিন, বলো,আর কত সহ্য হয়?
রাত তখন নিজেকেই খুঁজে ফেরে,
রাত নিজেও ঘুমোবে এখন,ঘুমোবো আমিও
আমি আর রাত এক সাথে জাগবো আগামী কাল ভোরে
রাত ও আমি আর কোন দিন ঘুমোবো না আর হাঁটবো শহরে।
