আমি প্রজাপতি হতে চেয়ে ছিলাম?
নাকি মাছরাঙা পাখি?
নাকি মেঘ?
কেউ জানে না তা,
আমিও জানি না
জানতো না কল্পিত বিধাতারাও!
কারন আমি ছিলাম অস্তিত্বহীন
অস্তিত্বহীন ছিলো সব
যা দেখছি, যা দেখিনি যা দেখবোও না কোনদিন।
আমাকে কেউ জিজ্ঞেস করেনি কি হয়ে জন্মাতে চাই আমি
অথবা আমি কাউকে বলিনি
আমাকে মানুষ, নদী, বৃক্ষ, নক্ষত্র বানাও,পহাড় বানাও।
আমাকে বানাও ঝর্না
অথবা পাথর, বা বাড়ির পেছনে ঝোঁপের হলুদ কাঠালি ফুল
আমি চাঁদ হতে চাইনি,না জোছনা,না সমুদ্র বা সমুদ্রের ঢেউ
তবুও দাবী করা হয় কেউ আমাকে বানিয়েছে, কেন কেউ
আমাকে বানাতে ইচ্ছা করলো?
আমি তো কারো ইচ্ছের বলিও হতে চাইনি!
কয়েকজন মানুষ তারা কল্পিত বিধাতাগুলোর কন্ঠ হয়ে
এ সব প্রশ্নের কিছু হাস্যকর উত্তর উপস্থাপন করলো
তোমার আমার সম্মুখে।
কিম্ভূতকিমাকার কথা হলো
সেই উত্তরগুলোকে নিয়ে কোন প্রকার প্রশ্ন তোলা যাবে না
কেবল ঘাড় নেড়ে বা হাত তুলে সায় দিতে হবে,হবেই!
তা না হলে কেবল মৃত্যুর পরই সাজার গল্প শুনিয়েই
শান্ত হবে না ধর্মবেত্তারা
প্রশ্নের উপর
প্রশ্ন তুললে গর্দান নিতে দা বটি শাবল নিয়ে আসবেন তারা।
মহা শক্তিশালী বিধাতারা এত দুর্বল কেন হয়?
মানুষ দিয়ে মানুষকে ভয়
দেখিয়ে মেরে কোটে ঘোষনা করতে হয় তার জয়
কেন ভালোবেসে
কেন হেসে হেসে জনসমাজে এসে দেয় না সাক্ষাৎকার?
নাকি কোন অস্তিত্ব নেই কোন স্রষ্টা অথবা বিধাতার!
আমি ঘাস ফড়িং হতে চাই
অথবা পেঙ্গুইন বা টুনটুনি পাখি
তুমি কি হতে চাও বলো?
কে কি হতে চায়
আর আমরা কে কাকে
প্রতিদিন কি নামে ডাকি বিধাতগুলো নয়তো কল্পনা ফাঁকি?
