যে কবিতার শিরোনাম দেয়া নেই
দাঁড়িয়ে মিলাদ
জায়েজ না, নাজায়েজ
সে বাহাস নিয়ে সিলেটে যুবক খুন!
ভাগ্যিস সৌদী আরবে ফ্যাসিষ্ট রাজতন্ত্র চলে
বাকস্বাধীনতা নেই, মিডিয়াও পরাধীন
ঠিক ওদেশের নারীদের মত
নইলে এতদিন
এমন সব খবর প্রকাশ হতো যে
ধর্মপ্রাণ মুসলিমরাই আরবদের বয়কট করতো।
কেউ কেউ গোস্বা করে বলে,
নবীর দেশ না হলে
ওরা ইয়েমেনিদের মত না খেয়ে মরতো।
তবুও ফাঁক ফোঁকর দিয়ে
খবর বের হয়ে গেছে
পর্ণোগ্রাফীর বড় বাজার নাকি সৌদী আরব,
তাইতো বলি সৌদী আরব থাকতে,
নাইজেরিয়া, পাকিস্তান বাংলাদেশ
পর্ণো দেখায়
প্রথম দ্বিতীয় তৃতীয় হয় কি ভাবে!
বোধয় পর্নো দেখার
চ্যাম্পিয়ন ট্রফিটা এবার আরবদের ঘরেই যাবে।
এই সু্-কর্মের আসক্তিটা আমারও ছিলো, আছে।
পর্নো দেখা কি দোষের?
হয় তো দোষের, হয় তো দোষের না।
বড় মুনাফেকি হয়ে গেলো
অন্যের দোষ ধরে
এ নিয়ে তর্ক চলে আমারও ঘরে।
স্কুলের বাংলা শিক্ষক রুহি দাস স্যার বলতেন,
কম বয়সীদের পর্নোগ্রাফি দেখতে নেই;
ক্লাস টেনে
এমন উপদেশ কেন?
তা জেনে
কারো মাথা চক্কর দিতে পারে!
জানি না কিভাবে যেন সেই বয়স থেকেই
পর্নোগ্রাফি দেখার ভূত চেপে ছিলো ঘাড়ে।
যতদূর মনে পরে
আমরা ক্লাসের কজন ভিসিআরে ডাবল পয়সা দিয়ে
চুরি করে
পর্নোগ্রাফী দেখতাম বাজারের টিন চালা ঘরে!
সংযমের মাস খাদ্যে ভেজাল ও দাম বাড়ছেই
কারো সংযম নেই!
ধর্ষনও কমেনি।
সংযমের মাসের আগে
তিন বার পানি ছাড়লেই হতো
এখন ভাড়াটিয়ারা
আরো একবার বেশি মটর চালাতে বলে!
কি আর করার এমনিতেই
বে-রোজদার হিসেবে আমার দুর্নাম আছে
তাই অতিরিক্ত একবার মটর সুইচ দিয়ে দেখি
কিছু সোয়াব জমা করা যায় কি না!
সংযমের মাস তবুও
মসজিদে ঢুকে
তারাবি নামাজে দাড়ানো মুসুল্লিকে
কুপিয়ে খুন করে ফেলে
আমি যখন এসব খবর পড়ি চোখ মেলে
প্রচন্ড হতাশ হই
আমরা সভ্য তো নইই, আসলে ধার্মিকও নই।
রাষ্ট্রের আইন, আমরা,থোরাই কেয়ার করি;
রইলো বাকি ধর্ম, মক্তব, বিদ্যালয়ের শিক্ষা
থেকেও নিচ্ছি না সংযমি হওয়ার দীক্ষা
যার যার অবস্থান থেকে কেবল ভেক ধরি।
