আমি এখন মানুষকে বেশি ভয় পাই
হায়!
বাসায় ডেকে নিয়ে বন্ধুকে খু/ন করে ফেলেছে বন্ধু।
পরকিয়ায় মত্ত
পিতা- মাতা সন্তানকে হ/ত্যা করে ফেলে অনায়াসে,
সীমান্তে হ/ত্যাকান্ড ঘটলে প্রতিবাদে ফেটে পরে যারা
তারাই আবার
নিজ গাঁয়ে গরু চোর,মাছ চোরকে পিটিয়ে কবরে পাঠায়।
পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ কৌতুক
ঢাকা লাহোরের মাদক বিরোধী চুক্তি!
তুরস্ক ভারতের গোপন প্রেমের খবরে
বাংলাদেশের তৌহিদি জনতা এরদোগনকে
তালাকে বাইন দেবে কি না, আমরা তা জানি না।
কর্নেল অলি বলেছেন,
শুভেন্দু অধিকারীকে মুখ্যমন্ত্রী বানিয়েছেন শেখ হাসিনা
তাহলে মি অলি বুঝুন শেখ হাসিনার ক্ষমতার জোড় কত।
আওয়ামী লীগের পেইজে জননেত্রী শেখ হাসিনাকে নাকি
হাসিনা বলে সম্বোধন করে!
অথচ শুভেন্দু দা, ভারতীয় হয়েও
বঙ্গবন্ধু কন্যাকে আজো শেখ হাসিনাই বলেন,
এমন কি বৈধ প্রধানমন্ত্রীই মেনে মান্য করে চলছেন।
আমি যতদুূর জানি,
শেখ হাসিনাকে, হাসিনা বলে থাকে
৭১ বিরোধী অপশক্তি, চিংকু বাম ও ৭৫ এর নর ঘাতকেরা!
যাই হোক,
গরু চুরি
আমার কাছে পৃথিবীর সব চেয়ে কঠিন কাজ মনে হয়,
বিশ্বাস না হলে চেষ্টা করে দেখতে পারেন।
আপনারা যে যাই বলুন না কেন,
আমি মনে করি
দারিদ্র বেচে খাওয়া সুদখোড় ইউনুচকে
নোবেল না দিয়ে,গরু চোরদের নোবেল প্রাইজ দেয়া উচিত।
প্রত্যুষে ফজরের আগে তাহাজ্জুদের নামাজ পড়া,
ভাই বোনের ওয়ারিশ মেরে দেয়া,প্রেম করা,
এমন কি যুদ্ধ, অপহরণ,
রাজনীতি, বীজগণিত, সাঁতার কাটা,
নৌকা বাওয়া,ঘোড়া সোয়ারি
বা কোন সরকার পতনের আন্দোলনের চেয়ে
ঢের বেশি কঠিন কাজ
এই গরু চুরি!
কারন, গরু যন্ত্রও নয়, মানুষও নয়
যে,আপনি তার মাথায় পিস্তল বা ছুড়ি ধরলেই আপনার
ইশারায় চলবে!
এ অঞ্চলের মানুষেরা আগেও খুব একটা বই পড়তো না
পড়ে না এখনো।
দল বেধে আড্ডা দিতো,
দল বেধে সাঁতার কাঁটতো
এরা দল বেঁধে গল্প শুনতো,
দল বেঁধে যাত্রাপালা দেখতে যেতো,
গান শুনতো, দল বেধে চোর পেটানো দেখতো
দল বেধে ঝগড়া দেখতো
দল বেধে ঝগড়া করতো কোথায় ও কোথায় এখনো করে।
এখন একা একা প/র্নো দেখে
একা একা নারী বিদ্বেষী কাঠ মোল্লাদের ওয়াজ শোনে।
দল বেধে গুজব ছড়ায়, ফেসবুকে নষ্ট করে সময়
ইউটিবে ব্যাস্ত এখন
দু বছরের শিশু থেকে শুরু করে ৮০ বছরের বৃদ্ধ বৃদ্ধাও!
আমি ভাবছি
এরা স্বর্গে ও নরকে গেলে ফেসবুক ইউটিউব ছাড়া,
বাঁচবে কি করে?
মরবেও না, শুনেছি স্বর্গ ও নরকে নাকি মৃত্যুও নেই।
ইহুদি নসারাদের সৃষ্ট
ফেসবুক ইউটিউব তো ওখানে থাাকর কথা নয়!
ওখানে থাকবে কেবল
আল্লা ও ভগবানের হুর ও অপ্সরা
তাহলে উপায়?
আমি আমার
ঘরের সামনে ফোটা সাদা গন্ধরাজ ফুলের দিকে
এক দৃষ্টিতে তাকিয়ে আছি।
তিন দিন হলো এটাকে আমি ছিঁড়তে পারছি না
কোন ভাবেই
ছিঁড়তে গেলে আমার হাতের শক্তি কমে আসে।
অথচ, বন্ধু, বন্ধুকে মেরে ফেলে
মাতাপিতা সন্তান, সন্তান মাতা পিতাকে হত্যা করে
প্রতিবেশী জ্বালিয়ে দেয় প্রতিবেশীর ঘর মানুষ সহ,
আর মসনদ ও বাজার দখল করতে
মানুষ, ধ্বংস করে ফেলে দেশ ও জনপদ।
অথচ এখন আমি আর
ফুল গাছ থেকে একটি ফুলও ছিঁড়তে পারছি না
এখন আমি আর বৃক্ষের একটি পাতাও ছিঁড়তে পারছি না!
খুব শীঘ্রই আমি হয়তো দিন শেষে
একা হয়ে যাবো পাথর,ফুল,মাটি,জল,গাছকে ভালোবেসে।
আমি এখন মানুষকে বেশি ভয় পাই।
